Employment Provident Fund র দ্বারা আমরা কিভাবে উপকৃত হতে পারি ?
EPF কি ?
ভারত সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রকের অধীনে পরিচালিত Employment Provident Fund (EPF) হলো অন্যতম জনপ্রিয় এবং বিশ্বস্ত একটি সঞ্চয় প্রকল্প। আজকের এই যুগে যেখানে খরচের পরিমাণ নিচ্চিত ভাবে প্রয়োজনীয় জিনিসের নিত্যনতুন যে দামের প্রবণতা তা অনেকটাই বেশি যা থেকে পয়সা রাহি করা অত্যন্ত বড় একটা বিষয়। বর্তমান অনিশ্চিত অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে চাকরিজীবীদের জন্য একটি সুরক্ষিত ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করা অত্যন্ত জরুরি।এটি মূলত সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবী কর্মচারীদের অবসরকালীন জীবনের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
EPF কীভাবে কাজ করে?
সাধারণত, একজন কর্মচারীর মূল বেতন (Basic Salary) এবং মহার্ঘ ভাতার (DA) ১২ শতাংশ প্রতি মাসে ইপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা হয়। নিয়োগকর্তাও ঠিক সমপরিমাণ অর্থাৎ ১২ শতাংশ অর্থ ওই ফান্ডে জমা দেন। নিয়োগকর্তার ১২ শতাংশের মধ্যে ৩.৬৭ শতাংশ যায় সরাসরি আপনার ইপিএফ-এ এবং বাকি ৮.৩৩ শতাংশ যায় এমপ্লয়িজ পেনশন স্কিমে (EPS)।
ইপিএফ থেকে আমরা কীভাবে উপকৃত হই?
১. অবসরকালীন বিশাল সঞ্চয় (Retirement Corpus):
২. নিশ্চিত এবং আকর্ষণীয় সুদ (Guaranteed High Return):
সাধারণ সেভিংস অ্যাকাউন্ট বা ফিক্সড ডিপোজিটের (FD) তুলনায় ইপিএফ-এ সুদের হার অনেকটাই বেশি থাকে। প্রতি বছর সরকার এই সুদের হার নির্ধারণ করে (যা সাধারণত ৮ শতাংশের আশেপাশে থাকে)। যেহেতু এটি সম্পূর্ণ সরকারি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়, তাই এখানে শেয়ার বাজারের ওঠানামার কোনো ঝুঁকি নেই এবং আপনার জমানো টাকা ও সুদ ১০০ শতাংশ সুরক্ষিত থাকে।
৩. কর ছাড়ের সুবিধা (Tax Benefits - EEE Status):
- বিনিয়োগে ছাড়: আয়কর আইনের 80C ধারা অনুযায়ী বছরে ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইপিএফ জমার ওপর আপনি কর ছাড় পাবেন।
- সুদে ছাড়: এই জমানো টাকার ওপর যে বার্ষিক সুদ পাওয়া যায়, তা একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত সম্পূর্ণ করমুক্ত।
- উত্তোলনে ছাড়: ৫ বছর একটানা চাকরি করার পর এই টাকা তুললে সম্পূর্ণ অর্থই করমুক্ত থাকে।
৪. আপৎকালীন আর্থিক সহায়তা (Partial Withdrawal):
যদিও ইপিএফ মূলত অবসরের জন্য, কিন্তু মানুষের জীবনে যেকোনো সময় জরুরি অবস্থা আসতে পারে। তাই শর্ত সাপেক্ষে ইপিএফ থেকে অগ্রিম বা আংশিক টাকা তোলার (Advance Withdrawal) সুবিধা রয়েছে। নিজের বা সন্তানের উচ্চশিক্ষা, বিয়ে, জমি কেনা বা বাড়ি তৈরি, চাকরি হারানো এবং গুরুতর চিকিৎসার মতো জরুরি পরিস্থিতিতে আপনি আপনার পিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে সামাল দিতে পারেন।
৫. আজীবন মাসিক পেনশনের ব্যবস্থা (EPS):
যেমনটা আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, নিয়োগকর্তার দেওয়া টাকার একটি অংশ (৮.৩৩%) পেনশন ফান্ডে যায়। যদি কোনো কর্মী অন্তত ১০ বছর একটানা চাকরি করেন, তবে ৫৮ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার পর তিনি এমপ্লয়িজ পেনশন স্কিমের অধীনে আজীবন মাসিক পেনশন পাওয়ার যোগ্য হন। এর ফলে শেষ বয়সে একটি নিয়মিত আয়ের উৎস বজায় থাকে।
৬. বিনামূল্যে জীবন বিমা কভারেজ (EDLI Scheme):
প্রতিটি ইপিএফ অ্যাকাউন্টের সাথে 'এমপ্লয়িজ ডিপোজিট লিংকড ইন্স্যুরেন্স' (EDLI) স্কিম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকে। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, কর্মরত অবস্থায় কোনো কর্মচারীর দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যু হলে তার পরিবার বা নমিনি সর্বোচ্চ ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিমা কভারেজ পান। এর জন্য কর্মচারীকে নিজের পকেট থেকে কোনো অতিরিক্ত প্রিমিয়াম দিতে হয় না।
৭. ডিজিটাল সুবিধা এবং স্বচ্ছতা:
বর্তমানে ইউনিভার্সাল অ্যাকাউন্ট নম্বর (UAN)-এর মাধ্যমে ইপিএফ অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করা অত্যন্ত সহজ হয়ে গেছে। উমঙ্গ (UMANG) অ্যাপ বা ইপিএফও (EPFO) পোর্টালের মাধ্যমে কর্মীরা যেকোনো সময় নিজেদের ব্যালেন্স চেক করা, পাসবুক ডাউনলোড করা এবং অনলাইনে টাকা তোলার আবেদন (Claim Settlement) করতে পারেন। চাকরি পরিবর্তন করলেও একই UAN দিয়ে পুরোনো অ্যাকাউন্ট নতুন কোম্পানিতে সহজেই স্থানান্তর করা যায়।
ইয়াৰ উপৰিও আৰু কিছুমান যেনেকৈ মিউচুয়াল ফান্ড ত পইচা জমা ৰাখি তাৰ পৰাও লাভবান হব পাৰিব এই বিষয়ে Mutual Fund কি Mutual Fund ৰ সহায়ত আমি কেনেকৈ লাভবান হব পাৰি ইয়াত ক্লিক কৰি ইয়াৰ বিষয়ে বিতং ভাবে জানিব পাৰিব।
